স্কোপাসে সূচিভুক্ত গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যার ভিত্তিতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা ১৮ হাজার ২৫৫টি।
একই সময়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্কোপাসে সূচিভুক্ত গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা ১৩ হাজার ৮০৭টি। দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনার সংখ্যার ব্যবধান ৪ হাজার ৪৪৮টি।
স্কোপাস আন্তর্জাতিকভাবে প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক ও গবেষণামূলক প্রবন্ধের তথ্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত। এতে সূচিভুক্ত প্রকাশনার সংখ্যা দিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের গবেষণার প্রকাশনা-সংক্রান্ত কার্যক্রমের একটি ধারণা পাওয়া যায়। তবে শুধু প্রকাশনার সংখ্যা দিয়ে গবেষণার মান, প্রভাব বা সামগ্রিক আন্তর্জাতিক অবস্থান নির্ধারণ করা যায় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গবেষণার মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে আরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গবেষকদের সহায়তা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যৌথ গবেষণা এবং মানসম্পন্ন প্রকাশনায় উৎসাহ দেওয়ার মতো উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে।
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গবেষণা সক্ষমতা মূল্যায়নে প্রকাশনার সংখ্যার পাশাপাশি গবেষণার গুণগত মান, উদ্ধৃতির সংখ্যা, গবেষণার সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মতো বিষয়ও বিবেচনা করা প্রয়োজন।





