
দুই মাসে ৬৯৯ মিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ পরিশোধ করল বাংলাদেশ, সহায়তা এলো ২৯৫ মিলিয়ন
২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বাংলাদেশ প্রায় ৬৯৮.৯২ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে। একই সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান হিসেবে এসেছে প্রায় ২৯৪.৫৬ মিলিয়ন ডলার।
ব্রেকিং নিউজ। বিশ্বজুড়ে নির্ভরযোগ্য।
বাজেট বিভাগের সর্বশেষ খবর, বিশ্লেষণ ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট।

২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বাংলাদেশ প্রায় ৬৯৮.৯২ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে। একই সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান হিসেবে এসেছে প্রায় ২৯৪.৫৬ মিলিয়ন ডলার।

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিদ্যুৎ ও এলএনজি ভর্তুকি বাবদ প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা ছাড় করেছে সরকার। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় সামাল দিতে এই অর্থ দেওয়া হয়েছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪ শতাংশে নামিয়েছে, যা জুলাইয়ের ৪ দশমিক ৫ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে কম। একই সময়ে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশে ওঠার এবং চলতি হিসাবে ঘাটতি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
জুলাইয়ে বাংলাদেশের বিদেশি সহায়তা প্রবাহ কমে ১৮০.১৮ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে, বিপরীতে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৫৩.২৩ মিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ঋণ পরিশোধ বেড়েছে, আর নতুন অর্থায়নের প্রতিশ্রুতিও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত পাঁচ মাসে বাংলাদেশ সরকার বৈদেশিক ঋণের মূলধন ও সুদ মিলিয়ে প্রায় ২ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। ERD বলছে, পাঁচ মাসের হিসাবে এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ঋণ পরিশোধের পরিমাণ।

২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মাথাপিছু সরকারি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ঋণের চাপ কমাতে রাজস্ব আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।


