বিমান চলাচলের অবকাঠামো উন্নয়ন ও আকাশসীমা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। দেশের আকাশসীমা ব্যবহারকারী বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোর কাছ থেকে overflight fee বাবদ ৮০৫ কোটি টাকার রাজস্ব এসেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উড়োজাহাজ যখন বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করে, তখন নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট ফি নেওয়া হয়। এই আয়কে এভিয়েশন খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব উৎস হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ আকাশপথের সংযোগস্থলে রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক রুটের অনেক ফ্লাইট বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করে।
এদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের Air Traffic Control (ATC) ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উন্নত প্রযুক্তি ও আধুনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু হলে আকাশপথ পরিচালনা আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উন্নত Air Traffic Management শুধু বিমান চলাচলের নিরাপত্তাই বাড়াবে না, একই সঙ্গে overflight revenue এবং এভিয়েশন খাতের অন্যান্য আয়ের সুযোগও বাড়াতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বিশ্বে বিমানবন্দর শুধু যাত্রী পরিবহনের কেন্দ্র নয়, বরং প্রযুক্তি, সেবা ও বৈদেশিক আয়ের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ এ খাতে আরও এগিয়ে যেতে পারে।
তবে আকাশপথ ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল, প্রযুক্তির রক্ষণাবেক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নতুন প্রযুক্তি ও অবকাঠামো উন্নয়ন দেশের এভিয়েশন খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার পাশাপাশি বৈদেশিক আয়ের নতুন পথ তৈরি করতে পারে।
