রাজধানীর তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে BSCIC Autumn Fair 2026। পাঁচ দিনের এই আয়োজনে দেশের ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তারা নিজেদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করছেন।
মেলায় মোট ৬০টি স্টল রয়েছে। এসব স্টলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের তৈরি নানা ধরনের সামগ্রী তুলে ধরা হয়েছে।
মেলায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে জামদানি, শীতলপাটি, নকশিকাঁথা ও রাজশাহী সিল্ক। পাশাপাশি মাটির তৈরি পণ্য, পাটজাত সামগ্রী এবং বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্পও পাওয়া যাচ্ছে।
আয়োজকদের লক্ষ্য, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের পণ্য সরাসরি ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি দেশীয় পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে সুযোগ তৈরি করা। একই সঙ্গে নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে এই মেলায়।
মেলায় অংশ নেওয়া উদ্যোক্তারা তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের বৈচিত্র্য ও মান তুলে ধরছেন। ফলে দর্শনার্থীরা একই জায়গায় দেশের বিভিন্ন এলাকার ঐতিহ্যবাহী পণ্য দেখার ও কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন—বিসিক দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনী ও মেলার আয়োজন এসব প্রতিষ্ঠানের পণ্যকে বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার অন্যতম মাধ্যম।
বিশেষ করে জামদানি, শীতলপাটি, নকশিকাঁথা, রাজশাহী সিল্ক ও পাটজাত পণ্যের মতো ঐতিহ্যবাহী পণ্যের বাজার ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে স্থানীয় উৎপাদক ও কারিগরদের তৈরি পণ্য সরাসরি ভোক্তার কাছে পৌঁছানোর সুযোগ বাড়ে।
পাঁচ দিনের এই শরতের মেলায় দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্টল ঘুরে পণ্য দেখতে ও কিনতে পারবেন। দেশীয় পণ্যের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ানো এবং উদ্যোক্তাদের ব্যবসার সুযোগ তৈরি করাই আয়োজনটির অন্যতম উদ্দেশ্য।



