দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাতার থেকে আরও দুটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) কার্গো কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের ওঠানামার মধ্যেও শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহ সচল রাখাই এর মূল লক্ষ্য।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে যে চাপ রয়েছে, তা সামাল দিতে আমদানিকৃত LNG-এর ভূমিকা বাড়ছে। নতুন দুটি কার্গো যুক্ত হলে জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত জ্বালানি যোগ হবে।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতের বড় একটি অংশ গ্যাসনির্ভর। ফলে গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি হলে শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পণ্যের মূল্য পরিবর্তন, আমদানি ব্যয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপের মধ্যেই LNG আমদানি অব্যাহত রাখছে সরকার।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় গ্যাস অনুসন্ধান, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আমদানি ব্যবস্থাপনার মধ্যে ভারসাম্য প্রয়োজন।

কাতার বাংলাদেশের অন্যতম LNG সরবরাহকারী দেশ। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী স্পট মার্কেট থেকেও LNG সংগ্রহ করা হয়।

সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প কারখানা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাস সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতে জ্বালানি ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ।