যুক্তরাজ্যের High Potential Individual (HPI) ভিসার নতুন তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পায়নি। সম্প্রতি হালনাগাদ করা এই তালিকায় বিশ্বের ৮০টি বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
HPI ভিসা যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষ অভিবাসন ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা চাকরির অফার ছাড়াই যুক্তরাজ্যে গিয়ে কাজ করার বা কাজ খোঁজার সুযোগ পান।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতিবছর এই বিশ্ববিদ্যালয় তালিকা হালনাগাদ করা হয়। সাধারণত আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে উচ্চ অবস্থানে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই তালিকায় জায়গা পায়।
নতুন তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ বিভিন্ন অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও দক্ষিণ এশিয়ার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। ফলে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য HPI ভিসার ক্ষেত্রে নতুন তালিকা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
এই ভিসার অন্যতম সুবিধা হলো—যোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা আগে থেকে চাকরির অফার ছাড়াই যুক্তরাজ্যে গিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজতে পারেন। তবে এর জন্য নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং, গবেষণা কার্যক্রম ও বৈশ্বিক স্বীকৃতির মতো বিষয়গুলো এ ধরনের তালিকা তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
তবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় তালিকায় না থাকলেও অন্য ভিসা পথের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিতে পারেন।
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা ও অভিবাসন ব্যবস্থায় HPI ভিসা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আলোচিত সুযোগ। নতুন তালিকা প্রকাশের পর দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।




