দেশীয় গ্যাস উৎপাদনে নতুন সরবরাহ যুক্ত হচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ২৮ নম্বর কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ার কথা রয়েছে।

দেশে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ঘাটতির সময়ে নতুন এই সংযোজনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্টরা। যদিও জাতীয় পর্যায়ের মোট চাহিদার তুলনায় এই পরিমাণ সীমিত, তবে কমতে থাকা দেশীয় উৎপাদনের মধ্যে প্রতিটি নতুন কূপ বাড়তি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আরও কয়েকটি উন্নয়ন কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কূপ থেকে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত নতুন গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।

দেশের গ্যাস উৎপাদন দীর্ঘদিন ধরে চাপের মধ্যে রয়েছে। পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে নতুন কূপ খনন ও উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নতুন গ্যাস সরবরাহ বাড়লে শিল্পকারখানার উৎপাদন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি চাহিদা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে দেশের মোট গ্যাস চাহিদার তুলনায় নতুন এই সরবরাহ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে উৎপাদনের ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যতে আরও কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলনের ওপর।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার দিকেও নজর দিচ্ছে সরকার।

তিতাসের নতুন কূপ থেকে যুক্ত হওয়া এই গ্যাস দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় কতটা স্বস্তি আনে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।