রাজধানী ঢাকার পূর্বাচলে নিজের বাসায় অবৈধ মাদক সেবন ও ডিজে পার্টি আয়োজনের অভিযোগে অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আবদুল্লাহ আল জাহিরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ২৫ অক্টোবর থেকে তাঁর সাময়িক বরখাস্ত কার্যকর ধরা হয়েছে।

১৯ অক্টোবর পূর্বাচলের পুলিশ হাউজিং এলাকায় ওই কর্মকর্তার বাসায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযান চালানোর পর ঘটনাটি সামনে আসে। অভিযানে মোট ৮৫ জনকে আটক করা হয়েছিল। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।

বাসায় অভিযান, আটক ৮৫ জন

পুলিশের অভিযানের সময় বাড়িটিতে ডিজে পার্টি চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেখানে অবৈধ মাদক সেবনের অভিযোগও তদন্তের আওতায় আসে।

অভিযানের পর আটক ব্যক্তিদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাঁদের সাজা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২১ জন জামিন পেয়েছেন।

২৫ অক্টোবর থেকে বরখাস্ত কার্যকর

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভাগীয় শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক বিষয় বিবেচনায় আবদুল্লাহ আল জাহিরকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তটি ২৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সরকারি দায়িত্ব পালনের বিষয়েও প্রশাসনিক পরিবর্তন এসেছে।

বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখে পুলিশ কর্মকর্তা

পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত বাসায় এমন আয়োজনের অভিযোগ এবং সেখানে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানের ঘটনা প্রশাসনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

তবে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মানেই অভিযোগের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দায় নির্ধারণ করা হবে।

পূর্বাচলের ওই ঘটনার পর আটক ব্যক্তিদের জামিন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা, দুই বিষয়ই এখন আলোচনায় রয়েছে।