জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সারকারখানায় আবারও ইউরিয়া সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বয়লারের ত্রুটি মেরামতের পর গত শুক্রবার উৎপাদন শুরু হলেও গ্যাস সরবরাহের সংকটে রোববার ভোরে কারখানাটি আবার বন্ধ হয়ে যায়।
কারখানাটিতে স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করা সম্ভব। তবে উৎপাদন দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে দেশের ১৯টি জেলার কৃষকদের সার সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ
কারখানা-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বয়লারের ত্রুটি মেরামতের পর উৎপাদন কার্যক্রম চালু করা হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়।
কারখানাটি পুনরায় চালু করতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়া জরুরি। তবে কবে পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাবে এবং কবে উৎপাদন শুরু হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত সময়সূচি জানা যায়নি।
বোরো মৌসুমে সার সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ
সামনে বোরো চাষের মৌসুম। এ সময়ে ধানের আবাদ ও ফলন নিশ্চিত করতে কৃষকদের জন্য সময়মতো সার পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যমুনা সারকারখানায় দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে সংশ্লিষ্ট ১৯টি জেলার সার সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে চাহিদার সময়ে উৎপাদন ব্যাহত হলে বিকল্প উৎস থেকে সার সরবরাহের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।
তবে কারখানাটি বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে কত টন সার সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
কবে আবার চালু হবে কারখানা?
যমুনা সারকারখানার উৎপাদন পুনরায় চালু করতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়া এখন প্রধান বিষয়। পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন পরিস্থিতি এবং সার মজুতের তথ্যের ওপর নির্ভর করবে সরবরাহ ব্যবস্থাপনার পরবর্তী পদক্ষেপ।
বোরো মৌসুম সামনে রেখে কারখানাটির উৎপাদন দ্রুত স্বাভাবিক করা এবং কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।







