দেশে আবারও বাড়তে শুরু করেছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। বর্ষা শেষ হওয়ার আগেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন, পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
চিকিৎসকরা বলছেন, বর্ষার শেষ সময় ও পরবর্তী সময়ে এডিস মশার প্রজননের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হতে পারে। জমে থাকা পানি, অপরিষ্কার জায়গা এবং ছোট ছোট জলাধার এডিস মশার বিস্তারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালেও ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে। জ্বর, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা ও অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে অনেক রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু চিকিৎসা নয়, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং জমে থাকা পানি অপসারণে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকেও মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতা ও সামাজিক অংশগ্রহণকেই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।