দেশে পাসপোর্ট হারানোর ঘটনায় গত ছয় মাসে ১ লাখ ৭ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যার মধ্যে প্রকৃত হারিয়ে যাওয়া ছাড়াও বিভিন্ন কারণে পাসপোর্ট ফিরে না পাওয়ার ঘটনাও রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনেক আবেদনকারী পাসপোর্ট হারানোর কথা উল্লেখ করলেও তদন্তে দেখা যায়, কিছু ক্ষেত্রে পাসপোর্ট হারায়নি; বরং বিদেশে চাকরি, ভিসা প্রক্রিয়া বা নিয়োগ সংক্রান্ত কাজে যুক্ত মধ্যস্থতাকারীদের কাছে আটকে রয়েছে।

প্রবাসে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বাংলাদেশি কর্মী বিভিন্ন এজেন্সি বা ব্যক্তির মাধ্যমে ভিসা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এসব প্রক্রিয়ায় কখনো কখনো পাসপোর্ট জমা দেওয়ার পর তা সময়মতো ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ আসে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাসপোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি হওয়ায় এটি ব্যবহারে সতর্কতা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে পাসপোর্ট জমা দিলে তার যথাযথ কারণ ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি।

পাসপোর্ট হারানোর আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে নতুন পাসপোর্ট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিদেশে কর্মসংস্থান ও ভিসা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়ানো গেলে এ ধরনের সমস্যার পরিমাণ কমানো সম্ভব।

কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের পাসপোর্ট ব্যবহারে সতর্ক থাকার পাশাপাশি দালাল বা অননুমোদিত ব্যক্তির কাছে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।