মক্কায় অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে সাফল্য অর্জনকারী হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া ও মাহমুদুল হাসান আশরাফীকে সংবর্ধনা দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসেন কায়কোবাদ। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বিশ্বমঞ্চে সাফল্য অর্জনকারী হাফেজদের যথাযথ মূল্যায়ন ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
৪৬তম এই প্রতিযোগিতায় ১৩৩ দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। নুরুদ্দিন জাকারিয়া চতুর্থ বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এ বিভাগে ১৫ পারা কোরআন হিফজ, শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।
অন্যদিকে ৩০ পারা বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফী। প্রতিযোগিতাটি সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন ধাপের যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচ বিভাগে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী বলেন, কোরআনের হাফেজরা দেশের পরম সম্পদ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার তাদের যথাযথ মূল্যায়ন ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে ১৯ আগস্ট মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এবারের প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্বজয়ী হাফেজদের উস্তাদ ও রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার পরিচালক মুফতি কারী আব্দুল কাইয়ুম মোল্লা, শানে সাহাবা খতিব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুফতি শামীম মজুমদারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
ধর্মমন্ত্রীর এমন আশ্বাসের ফলে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে সাফল্য অর্জনকারী হাফেজদের রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়নের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।





