কৃষকের জন্য ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহ করা সারের সংকটের কথা বলছেন কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত এলাকার কৃষকেরা। একই সময়ে ওই সীমান্তের বিভিন্ন পথে সার আটকের ঘটনা সামনে আসায় সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
চলতি বছরের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত উখিয়া এলাকায় একাধিক ঘটনায় ১৫ টনের বেশি সার আটক করা হয়েছে। এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে ব্যবস্থা নিয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, প্রয়োজনের সময় পর্যাপ্ত সার না পাওয়ায় চাষাবাদে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় কৃষি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
অন্যদিকে, সীমান্ত এলাকায় আটক হওয়া সার কোথা থেকে এসেছে এবং এর গন্তব্য কোথায় ছিল—তা নিয়ে তদন্ত ও যাচাই চলছে।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, কিছু সার মিয়ানমারের দিকে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে সীমান্ত দিয়ে সারের পাচার এবং মিয়ানমারের সংঘাতে এসব সারের ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন দাবি থাকলেও সব তথ্যের স্বাধীনভাবে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষকের জন্য নির্ধারিত সার সঠিক সময়ে ও সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় অবৈধ সরবরাহ বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ভর্তুকি মূল্যের সার যাতে অন্য কোনো পথে চলে না যায়, সে বিষয়েও তদারকির কথা বলা হচ্ছে।
সীমান্তের সার সংকট ও আটকের ঘটনাগুলো এখন কৃষি ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা—তিনটি বিষয়কে সামনে নিয়ে এসেছে।