রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান এখনো অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সংস্থা IQAir-এর লাইভ সূচকে ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকার বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর হিসেবে দেখানো হয়েছে।

বায়ুদূষণের মাত্রা বিবেচনায় বিশ্বের প্রধান শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থানও ছিল ওপরের দিকে। এর মাধ্যমে রাজধানীর বায়ু মানের ওপর দূষণের চাপের চিত্র উঠে এসেছে।

বায়ুর মান নির্ধারণে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা AQI সূচক ব্যবহার করা হয়। এতে বাতাসে থাকা ক্ষতিকর উপাদান, বিশেষ করে সূক্ষ্ম কণিকা বা PM2.5-এর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য দূষিত বাতাস বেশি ক্ষতিকর হতে পারে।

ঢাকার বায়ুদূষণের পেছনে নির্মাণকাজের ধুলা, যানবাহনের ধোঁয়া, শিল্পকারখানার নির্গমন এবং বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য পোড়ানোকে অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

পরিবেশ সংশ্লিষ্টরা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং, দূষণের উৎস নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।

রাজধানীর বায়ুর মান উন্নত করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও দূষণ নিয়ন্ত্রণ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে।

নগরবাসীকে বিশেষ করে দূষণের মাত্রা বেশি থাকলে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়।