সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শিল্পনগরী জুবাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নি/হ/ত হয়েছেন কুমিল্লার এক প্রবাসী যুবক। তার নাম মো. সজিব। রোববার ৪ অক্টোবর বিকেলের দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবার, স্থানীয় সূত্র এবং সৌদিতে কর্মরত বাংলাদেশিরা জানিয়েছেন।
সজিব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার বয়স ২৫ থেকে ২৬ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি কয়েক বছর ধরে সৌদি আরবের জুবাইল শহরে কাজ করছিলেন।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ভাষ্য, আর্থিক সচ্ছলতার আশায় সজিব সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন। বণিক বার্তার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে তিনি দেশটিতে যান। প্রবাসে কাজ করে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি।
রোববারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সজিব ঘটনাস্থলেই নি/হ/ত হন বলে তার পরিবারকে জানানো হয়। সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি আল আমিন তার মৃ/ত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে কয়েকটি প্রতিবেদনে প্রবাসী শ্রমিক রোশন আলী সরকারের নামও নিশ্চিতকারী হিসেবে এসেছে।
সজিবের মৃ/ত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর তার পরিবার ও বাগড়া গ্রামের মানুষের মধ্যে শোক নেমে আসে। স্বজনদের ভাষ্য, পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান ভরসা ছিলেন তিনি। হঠাৎ এই ঘটনায় পরিবারটি বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, সৌদি আরবে কর্মরত বাগড়া গ্রামের এক প্রবাসীর মৃ/ত্যুর খবর তারা পেয়েছেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাজী জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সজিবের মৃ/ত্যুর ঘটনা সম্পর্কে দূতাবাসের মাধ্যমে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ম/রদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কথাও বলেছেন তিনি।
পরিবারের পক্ষ থেকে সজিবের ম/রদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশে আনার পর পারিবারিকভাবে দাফনের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
তবে ঠিক কোন পক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সজিব নি/হ/ত হয়েছেন, সে বিষয়ে প্রকাশিত স্থানীয় প্রতিবেদনগুলোতে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে সরকারি বা দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া পর্যন্ত অনুমানভিত্তিক কোনো দাবি করা ঠিক হবে না।




