দেশে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবার জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় টিকার একটি অংশ ইতোমধ্যে ব্যবস্থাপনায় রয়েছে। বাকি টিকা আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

চলমান হাম পরিস্থিতির মধ্যে এর আগে পরিচালিত বিশেষ টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় ১৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাম একটি সংক্রামক রোগ হওয়ায় দ্রুত টিকাদানের মাধ্যমে এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে টিকার আওতা বাড়ানো গেলে রোগের ঝুঁকি অনেক কমানো সম্ভব।

জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে। হাম প্রতিরোধের জন্যও নিয়মিত টিকার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিশুদের নির্ধারিত সময়ে টিকা গ্রহণের জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচির সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে অভিভাবকদের সচেতনতা এবং মাঠ পর্যায়ে কার্যকর ব্যবস্থাপনার ওপর। কোনো শিশু যেন টিকার আওতার বাইরে না থাকে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো, রোগ শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে।

সরকারের এই নতুন টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে আরও বেশি শিশুকে হাম থেকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া কার্যক্রমে শিশুদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।