লালমনিরহাট–বুড়িমারী মহাসড়কের অন্তত ৩০টি স্থানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যান চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
বুড়িমারী স্থলবন্দর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। এই পথ দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের পাশাপাশি ভুটানের সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে। ফলে মহাসড়কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের ব্যবহার, অতিবৃষ্টি, ভারী যানবাহনের চাপসহ বিভিন্ন কারণে সড়কের কিছু অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের পিচ উঠে গেছে, আবার কিছু অংশে বড় ধরনের গর্ত ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো চিহ্নিত করেছে। এসব অংশ দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় পরিবহন চালকরা বলছেন, ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোতে যান চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে পণ্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন হচ্ছে।
বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পণ্যবাহী যান চলাচল করে। সড়কের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য স্থলবন্দর সংযোগকারী সড়কগুলোর মান উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও পরিবহন খাতের প্রতিনিধিরা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দ্রুত মেরামত সম্পন্ন হলে যান চলাচলের ঝুঁকি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
