বর্ষাকালেও ঢাকার বাতাসে দূষণের প্রভাব পুরোপুরি কমেনি। শনিবার সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর বায়ুমান সূচক বা Air Quality Index (AQI) ছিল ১২১।

বায়ুর এই মান সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ ব্যক্তি এবং যাদের হৃদ্‌রোগ বা শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এ ধরনের দূষিত বাতাসে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।

বায়ুর মান নির্ণয়ে AQI সূচকে বিভিন্ন দূষণকারী উপাদানের মাত্রা বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে সূক্ষ্ম বস্তুকণা বা PM2.5 অন্যতম, যা মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

সাধারণত বর্ষাকালে বৃষ্টির কারণে বাতাসে থাকা ধুলা ও কিছু দূষণকারী কণা কমে যায়। তবে নগরীর যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলা এবং অন্যান্য উৎস থেকে দূষণের মাত্রা আবারও বেড়ে যেতে পারে।

বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, AQI একটি পরিবর্তনশীল সূচক। আবহাওয়া, বাতাসের গতি ও স্থানীয় দূষণের ওপর নির্ভর করে এর মাত্রা দিনের বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘমেয়াদে বায়ুদূষণ কমাতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, নির্মাণকাজে নিয়ম মানা এবং দূষণের উৎসগুলো ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।

রাজধানীর বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ করে দূষণের মাত্রা বেশি থাকলে বাইরে দীর্ঘসময় অবস্থান, খোলা স্থানে ব্যায়াম এবং শিশু ও বয়স্কদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বর্ষার সময়েও ঢাকার বায়ুর মান নিয়ে এই পরিস্থিতি নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জকে সামনে আনছে।