গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি ওষুধ উৎপাদনকারী কারখানায় ভ/য়া/ব/হ আ/গু/ন লেগেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে চেরাগ আলী এলাকার ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ইউনিট-২ কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। আ/গু/ন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট কাজ শুরু করে। পরিস্থিতির অবনতি হলে পর্যায়ক্রমে ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো হয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে কারখানাটিতে আ/গু/নের সূত্রপাত হয়। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের কাছে খবর পৌঁছায়। খবর পাওয়ার পর সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আ/গু/ন নেভানোর কাজ শুরু করে।

প্রথমে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। পরে গাজীপুর, উত্তরা ও আশপাশের বিভিন্ন স্টেশন থেকে আরও ইউনিট যোগ দেয়। দুপুরের দিকে মোট ১৬টি ইউনিট আ/গু/ন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছিল বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা শাহিন আলম জানান, কারখানার ভবনটি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি। ভবনটিতে কাচের ব্যবহারও রয়েছে। এসব কারণে আ/গু/ন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্ধারকর্মীদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারখানার ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আ/গু/ন ভবনের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

কারখানায় সংরক্ষিত ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম এবং অন্যান্য মালামাল আ/গু/নে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির মোট পরিমাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

কয়েকটি প্রতিবেদনে কারখানা থেকে আ/গু/ন পাশের একটি চারতলা ভবনে ছড়িয়ে পড়ার কথাও বলা হয়েছে। তবে ওই ভবনের ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম আ/গু/ন নিয়ন্ত্রণে একাধিক ইউনিট কাজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুপুরের দিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ১৬টি ইউনিট কাজ করার তথ্য পাওয়া গেলেও পরবর্তী একটি প্রতিবেদনে ইউনিটের সংখ্যা ২০-এ পৌঁছানোর কথা জানানো হয়েছে।

প্রথম আলোর দুপুরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার ভেতরে কেউ আটকা পড়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্য একটি স্থানীয় প্রতিবেদনে দুজন আ/হ/ত হওয়ার দাবি করা হয়েছে; এ তথ্যের স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

আ/গু/ন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। কারখানার কোন অংশ থেকে আ/গু/নের সূত্রপাত হয়েছে এবং কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা বিস্তারিত অনুসন্ধানের পর জানা যাবে।