সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেলে মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে বিভিন্ন গ্রেডের কর্মীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

প্রস্তাবিত পে-স্কেলে শুধু বেতন বৃদ্ধিই নয়, বর্তমান বেতন কাঠামোর কয়েকটি ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হার কমানোর প্রস্তাব রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন কাঠামোর লক্ষ্য হলো বেতন ব্যবস্থায় ভারসাম্য আনা এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে পার্থক্য পুনর্বিন্যাস করা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে প্রস্তাবটি আরও পর্যালোচনা করা হতে পারে।

প্রস্তাবনায় বাড়িভাড়া ভাতার ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চ বেতন গ্রেডের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে বর্তমান সুবিধার তুলনায় নতুন কাঠামোতে ভিন্ন নিয়ম আসতে পারে।

নতুন পে-স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় প্রায় ২ দশমিক ৩৭ লাখ কোটি টাকা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো সর্বশেষ ২০১৫ সালে পরিবর্তন করা হয়েছিল। এরপর মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে নতুন পে-স্কেল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

প্রস্তাবিত কাঠামোতে একদিকে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির সুযোগ রাখা হয়েছে, অন্যদিকে উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব এসেছে।

তবে নতুন পে-স্কেল এখনো চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পরই এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন পে-স্কেল নিয়ে আগ্রহ থাকলেও চূড়ান্ত কাঠামো ও বাস্তবায়নের সময়সূচির দিকে এখন নজর রয়েছে।