শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ব্রেন্টফোর্ডকে হারাল লিভারপুল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ব্রেন্টফোর্ডের মাঠে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে লিভারপুল। শনিবার (১৭ অক্টোবর) লন্ডনের জিটেক কমিউনিটি স্টেডিয়ামে প্রথমে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল করে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় সফরকারীরা। লিভারপুলের হয়ে গোল করেন ভিক্টর মুনোজ ও আলেকজান্ডার ইসাক। ব্রেন্টফোর্ডের একমাত্র গোলটি করেন কেইন লুইস-পটার।
প্রথমার্ধে এগিয়ে ব্রেন্টফোর্ড
ম্যাচের শুরুতে দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরির চেষ্টা করে। তবে প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটে এগিয়ে যায় স্বাগতিক ব্রেন্টফোর্ড। ইগর থিয়াগোর ক্রস থেকে হেডে বল জালে পাঠান লুইস-পটার।
গোলের পর বিরতির আগে আরও বড় ধাক্কা খায় ব্রেন্টফোর্ড। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে লিভারপুলের জেরেমি জাকের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ইয়েহর ইয়ারমোলিউককে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ফলে দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় স্বাগতিকদের।
আট মিনিটে দুই গোল, বদলে যায় ম্যাচ
দ্বিতীয়ার্ধে একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে আক্রমণের চাপ বাড়ায় লিভারপুল। ৬২ মিনিটে ফ্লোরিয়ান ভির্টজের পাস থেকে নিচু শটে গোল করে সমতা ফেরান ভিক্টর মুনোজ।
এর আট মিনিট পর, ম্যাচের ৭০ মিনিটে গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন আলেকজান্ডার ইসাক। ব্র্যাডলি বারকোলার হেডে পাওয়া বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কাছের কোণ দিয়ে জালে পাঠান সুইডিশ এই স্ট্রাইকার। চোট কাটিয়ে দলে ফিরে জয়সূচক গোলটি করে নিজের গুরুত্বও জানান দেন তিনি।
নয়জন নিয়ে শেষ করে ব্রেন্টফোর্ড
গোল শোধ করতে শেষ দিকে চেষ্টা চালায় ব্রেন্টফোর্ড। কিন্তু যোগ করা সময়ে অধিনায়ক ভিতালি ইয়ানেল্ট দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দলটি নয়জনের হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আর সমতায় ফেরা হয়নি স্বাগতিকদের।
এই হারে চলতি প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পায় ব্রেন্টফোর্ড। অন্যদিকে, আগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ৩-০ গোলে হারের পর জয়ে ফিরল লিভারপুল।
পয়েন্ট তালিকায় এগোল লিভারপুল
এই জয়ে সাত ম্যাচ শেষে ১২ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম স্থানে ওঠে লিভারপুল। সমান ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ব্রেন্টফোর্ড।
ম্যাচের ফলের পাশাপাশি লিভারপুলের জন্য স্বস্তির বিষয় ইসাকের গোলে ফেরা। তবে ম্যাচে ডমিনিক সোবোসলাই ও জেরেমি ফ্রিম্পংয়ের চোট দলের জন্য উদ্বেগ তৈরি করেছে। সামনে চ্যাম্পিয়নস লিগে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও দলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই হবে লিভারপুলের বড় চ্যালেঞ্জ।





