Kushner-এর আলোচনাতেও কাটল না Gaza অচলাবস্থা—নিরস্ত্রীকরণ ও Israeli withdrawal নিয়ে দূরত্ব

Gaza যুদ্ধ থামিয়ে মার্কিন সমর্থিত শান্তি পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলেও বড় ধরনের অগ্রগতি এখনো আসেনি। Donald Trump-এর দূত ও জামাতা Jared Kushner দুই দিনে Hamas ও Israeli নেতৃত্বের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেছেন। কিন্তু আলোচনার পরও পরিকল্পনার সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন—Hamas-এর নিরস্ত্রীকরণ ও Israeli সেনা প্রত্যাহারের মধ্যে কোনটি আগে হবে—তার সমাধান হয়নি।

রোববার কায়রোতে Hamas-এর রাজনৈতিক নেতা Khalil al-Hayya-এর সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন Kushner। সেখানে Egypt, Qatar ও Turkey-এর মধ্যস্থতাকারীরাও উপস্থিত ছিলেন। পরদিন জেরুজালেমে Israeli প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টা আলোচনা করেন তিনি।

Trump প্রশাসনের ১৫ দফার roadmap অনুযায়ী, Hamas ধাপে ধাপে অস্ত্র ছাড়বে এবং একই প্রক্রিয়ায় Gaza থেকে Israeli বাহিনী প্রত্যাহারের কথা রয়েছে। Hamas পরিকল্পনাটিতে নীতিগতভাবে সম্মতি জানিয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করছেন। তবে সংগঠনটির বক্তব্য, Israel আগে চলমান হামলা বন্ধ ও withdrawal শুরু না করলে তাদের পক্ষ থেকে disarmament বাস্তবায়ন এগোবে না।

Netanyahu-এর অবস্থান ঠিক উল্টো। তিনি স্পষ্ট করেছেন, Hamas পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত Israeli বাহিনী Gaza থেকে সরে যাবে না। Israeli পক্ষের দাবি অনুযায়ী, শুধু heavy weapons নয়—light weapons এবং Hamas-এর tunnel infrastructure-ও dismantle করতে হবে।

এ কারণেই আলোচনার প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে sequencing।

Hamas বলছে—আগে হামলা বন্ধ ও withdrawal, তারপর অস্ত্র সমর্পণের প্রক্রিয়া। Israel বলছে—আগে পূর্ণ disarmament, তারপর withdrawal এবং reconstruction। দুই পক্ষের এই বিপরীত শর্তই মার্কিন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন আটকে রেখেছে।

তবে বৈঠক পুরোপুরি ফলহীনও ছিল না। Netanyahu ও Kushner Gaza-র disarmament ও demilitarization নিয়ে একটি working group এবং পানি, sanitation ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে আরেকটি working group গঠনে একমত হয়েছেন। Israeli ও মার্কিন পক্ষ পুনর্গঠন শুরুর আগে Gaza-র demilitarization সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছে।

Trump-এর Board of Peace-এর এক কর্মকর্তা বৈঠককে “lengthy, in depth and very productive” বলে উল্লেখ করে বলেছেন, Netanyahu-এর সঙ্গে একটি সম্ভাব্য “path forward” নিয়ে বোঝাপড়া হয়েছে। তবে পরিকল্পনাটিতে Israel আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কি না জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট এক মুখপাত্র একে এখনো “work in progress” বলেছেন।

Kushner নিজেও সতর্ক আশাবাদ দেখিয়েছেন। তার মতে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কিছু অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া এবং পরবর্তী ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে কিছু tunnel নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে সেটি এখনো প্রত্যাশা—চূড়ান্তভাবে সম্মত timeline নয়।

Hamas-এর আরেকটি বড় দাবি হলো Israeli বাহিনীকে অন্তত তথাকথিত “yellow line” পর্যন্ত পিছিয়ে নেওয়া। AP-এর তথ্য অনুযায়ী, Israeli বাহিনী বর্তমানে Gaza-র প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। Israel কবে বা কী শর্তে সেই এলাকা ছাড়বে—সোমবারের বৈঠকেও সে বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি আসেনি।

এই অচলাবস্থার সঙ্গে জড়িয়ে আছে Gaza পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থাও। মার্কিন roadmap-এ দৈনন্দিন প্রশাসনের দায়িত্ব একটি Palestinian technocratic committee-এর হাতে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু পূর্ণ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় reconstruction এবং আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের মতো পরবর্তী ধাপগুলোও আটকে আছে।

ফলে Kushner-এর দুই দিনের সফর নতুন যোগাযোগ তৈরি করলেও Gaza পরিকল্পনার মূল রাজনৈতিক সংকট কাটাতে পারেনি। একটি পক্ষ যদি আগে disarmament এবং অন্য পক্ষ আগে withdrawal দাবি করে, তবে পরবর্তী ধাপে যেতে হলে অন্তত একজনকে তার বর্তমান অবস্থানে ছাড় দিতে হবে।

এখন প্রশ্ন—working group-এর আলোচনা কি সেই ব্যবধান কমাতে পারবে, নাকি “কে আগে পদক্ষেপ নেবে” এই বিরোধেই আবার থমকে থাকবে Gaza peace plan?