দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্তে বক্তব্য দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তলবে হাজির হওয়ার জন্য আরও ৩০ দিনের সময় চেয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ে হাজির না হয়ে তিনি সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। তাঁর আবেদনের বিষয়ে আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সাবেক সেনাপ্রধানকে তলব করা হয়েছিল। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ করা দুদকের নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ।

এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো হলো দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ। তবে এসব অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন এবং কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়নি।

দুদক সাধারণত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য, নথি ও বক্তব্য সংগ্রহ করে থাকে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়ার পর তদন্ত কর্মকর্তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করেন।

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ২০২১ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব শেষে তিনি অবসরে যান।

দুদকের অনুসন্ধান বা তদন্তে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তা অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার অর্থ নয়। তদন্ত শেষে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

এখন সাবেক সেনাপ্রধানের সময় আবেদন গ্রহণ করা হবে কি না এবং পরবর্তী হাজিরার তারিখ কবে নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে দুদকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রয়েছে।

দুদকের তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা বা আইনি পরিণতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও নথি যাচাইয়ের পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।