সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্টেডিয়ামে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থানীয় একটি পক্ষের আ/প/ত্তির মুখে স্থ/গি/ত করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় দিরাইয়ের স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাব ও সিলেটের জারা স্পোর্টিং ক্লাবের মেয়েদের মধ্যে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি ও কোচ রাকিব আহমেদ ভূঁইয়া জানান, ম্যাচ আয়োজনের বিষয়টি তিনি কয়েক দিন আগেই উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন। সিলেটের দলের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়েরাও ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে দিরাইয়ে পৌঁছান।
তবে রোববার রাতে পরিস্থিতি বদলে যায়। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে ম্যাচটি না করার দাবি জানান। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় ওই পক্ষের ভাষ্য ছিল, মেয়েদের ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে এমন কিছু আয়োজন হতে পারে, যেটিকে তারা ‘অ/শ্লী/লতা’ হিসেবে দেখছেন। তবে তারা খেলাধুলার বিরো/ধিতা করছেন না বলেও দাবি করেন।
আয়োজকেরা অবশ্য জানান, দিরাইয়ে মেয়েদের ফুটবল নতুন কোনো বিষয় নয়। স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাব ২০১৯ সাল থেকে স্থানীয় কিশোরীদের নিয়ে ফুটবল কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এর আগে দেশের বিভিন্ন জেলার মেয়েদের দলও দিরাইয়ে এসে খেলেছে।
ক্লাবটির মেয়েরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। তাই এবার হঠাৎ করে আ/প/ত্তি ওঠায় বিস্ময় প্রকাশ করেন আয়োজকেরা।
দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার জানান, আয়োজকেরা আগে থেকেই কিশোরীদের ফুটবল ম্যাচের বিষয়টি জানিয়েছিলেন। পরে স্থানীয় একটি পক্ষ স্পন্সর ও নারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে আ/প/ত্তি জানায়।
তিনি আরও জানান, উভয় পক্ষই স্থানীয় হওয়ায় আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি ম্যাচ বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত উ/ত্তে/জনা এড়াতে ম্যাচটি স্থ/গি/ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে মেয়েদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ক্রীড়া আয়োজনের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে ম্যাচটির নতুন তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
