কুমিল্লার ১৮ থানায় একযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা। কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এক রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এটি চলমান পাঁচ ধাপের অভিযানের সর্বশেষ ধাপ। সব মিলিয়ে পাঁচ ধাপে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশের একযোগে এই অভিযান চালানো হয় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায়। কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, অপরাধপ্রবণতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ নজরদারির অংশ হিসেবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তবে আটক হলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমনটা নয়। পুলিশ জানিয়েছে, আটকদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হবে। যাচাই শেষে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কারা কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত, কার বিরুদ্ধে অন্য কোনো অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এবং কারা কোনো অপরাধে জড়িত নন—তা যাচাইয়ের পরই পরিষ্কার হবে।

পুলিশের এই অভিযানকে কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে এক রাতের অভিযানে ৩৬৩ জন আটকের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে আটকদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আইনি পদক্ষেপের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে জানা যাবে।