রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনে আ/গুন লাগার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ধানমন্ডি ১০/এ এলাকায় ভবনটিতে আ/গুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আ/গুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটে আ/গুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে আ/গুন লাগার খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ইউনিট দুটি বিকেল ৩টা ৪২ মিনিটে সেখানে পৌঁছে আ/গুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পলাশী ফায়ার স্টেশন থেকেও অতিরিক্ত দুটি ইউনিট পাঠানো হয়েছিল। তবে আ/গুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর অতিরিক্ত ইউনিটগুলোর আর প্রয়োজন হয়নি।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভবনটি ১৪ তলা আবাসিক ভবন। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আ/গুন দ্বিতীয় তলায় লাগার কথা বলা হয়েছে। তবে ভবনের নির্দিষ্ট তলা ও ঠিকানা নিয়ে প্রকাশিত তথ্যে কিছু অমিল রয়েছে। তাই এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের চূড়ান্ত তথ্যই গ্রহণযোগ্য হবে।
স্বস্তির বিষয়, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হ/তাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আ/গুনে ভবনের কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণও এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রাথমিক পর্যায়ে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানিয়েছিল, আ/গুন নিয়ন্ত্রণে দুটি ইউনিট কাজ করছে। পরে পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত ইউনিট পাঠানো হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আ/গুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। বহুতল ভবনে আ/গুন লাগলে দ্রুত বের হওয়ার পথ, জরুরি সিঁড়ি, অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম এবং বাসিন্দাদের সতর্কবার্তা দেওয়ার ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভবনের প্রতিটি তলায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং নিয়মিত মহড়া আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
ধানমন্ডির এই অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও আ/গুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।