আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে দেশের বাজারেও মূল্য কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের বর্তমান মূল্য পরিবর্তন বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির প্রভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত। আন্তর্জাতিক বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরলে সরকার দেশের বাজারে মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করবে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানো হয়েছে। এর পর থেকেই পরিবহন খরচ ও নিত্যপণ্যের বাজারে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার জ্বালানি বাজার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে। আন্তর্জাতিক বাজারের গতিপ্রকৃতি, আমদানি ব্যয় এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের জ্বালানি তেলের বড় অংশ আমদানিনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব স্থানীয় বাজারেও পড়ে।
জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির পর পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে তার সুফল দেশের বাজারেও সমন্বয়ের মাধ্যমে দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।
এদিকে সাধারণ ভোক্তারা জ্বালানি তেলের দাম ও এর প্রভাবে নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।



